মুসলিম উম্মাহর ইতিহাস কেন পড়ব?

মুসলিম উম্মাহর ইতিহাস কেন পড়ব?

ইত্তিহাদ পাবলিকেশন

এ প্রশ্নের উত্তরটি এখন হতে পারে সাহাবাকেন্দ্রিক। আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওফাতের পর এমন কিছু পরিস্থিতি উম্মতের সামনে আসে, যার স্পষ্ট নমুনা রাসুলের জীবদ্দশায় ছিল না। রাসুলের ওফাতের পর কে হবেন মুসলমানদের পরবর্তী আমির বা প্রধান? এটি ছিল অন্যতম প্রধান ও প্রথম প্রশ্ন।
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বিভিন্ন হাদিস থেকে বুঝা যায় সাইয়েদুনা হজরত সিদ্দিকে আকবর রা. ছিলেন খলিফা হওয়ার সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি। কিন্তু বিষয়টি এককথায় একবারেই মীমাংসা হয়নি। কীভাবে হয়েছিল—সে বিষয়টি পূর্ণাঙ্গভাবে জানা একজন সচেতন মুসলমানের দায়িত্ব। দায়িত্ব আঞ্জাম দিতেই আপনার সামনে আছে 'মুসলিম উম্মাহর ইতিহাস'।
ধারাবাহিকভাবে প্রধান চার খলিফার শাসনামল চলতে থাকে। এর ভেতর ঘটে যায় মুসলিম উম্মাহর অন্যতম দুঃখজনক অধ্যায়—আমিরুল মুমিনিনদের হত্যাকাণ্ড। একে একে তিনজন মুসলিম খলিফাই ইহুদি গুপ্তচরদের হাতে নিহত হন। যারা মুসলমান সেজে মুসলমানদের সঙ্গে বসবাস করছিল। এই অধ্যায়গুলো কি আপনার জানা উচিত নয়? সেই তথ্যগুলোই আপনাকে বিশ্লেষণসহ জানতে সহযোগিতা করবে 'মুসলিম উম্মাহর ইতিহাস'।
আমিরুল মুমিনিন সাইয়েদুনা উসমান রা.-এর নির্মম শাহাদাতের পর সাহাবায়ে কেরাম একটি বিষয় নিয়ে দুটি মতের ওপর অটল থাকেন। এর সূত্র ধরে জঙ্গে জামাল ও জঙ্গে সিফফিনের মতো হৃদয়বিদারক ঘটনা। কারা ছিল এর মূল হোতা? সাহাবায়ে কেরামের দুই মতে বিভক্ত হওয়ার কারণই-বা কী ছিল? এ বিষয়গুলো সম্পর্কে আপনি অবগত না-থাকলে যেকেউ আপনার ঈমানের ওপর আঘাত হানতে পারবে। তখন কী করবেন আপনি? তাই তো মুসলিম উম্মাহর ইতিহাস আপনার পড়তে হবে।
শিয়াগোষ্ঠী হচ্ছে মুসলিম উম্মাহর ইতিহাসে অন্যতম ভয়ংকর একটি দল। যাদের উত্থান হয়েছিল উম্মাহকে ক্ষতিগ্রস্ত ও ব্যর্থ করার লক্ষ্যে। ফাতেমি সাম্রাজ্যের নামে গড়ে ওঠে সেই শিয়াবাদের শাসন। শুধু শাসন নয়, ইতিহাস বর্ণনায়ও তারা মিশ্রণ করেছে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্যাদি। ইতিহাসে পাতায় পাতায় মিশিয়েছে শিয়াবাদের বিষ। কীভাবে উত্থান হয়েছিল এই গোষ্ঠীর? শিয়াদের বর্ণনাকৃত ইতিহাসগুলো কীভাবে বুঝব? এগুলো জানতে হলেও 'মুসলিম উম্মাহর ইতিহাস' আপনার পড়া উচিত।